শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ | সময়: সকাল ৭:৫৪
Category: জীবনযাপন

আপনার বিদ্যুৎ বিলেও কি প্রভাব ফেলবে হরমুজ প্রণালি সংকট?

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত রুট হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশ্বে ব্যবহৃত তেলের বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এখানে কোনও ধরনের অস্থিরতা তৈরি হলে তার প্রভাব শুধু আন্তর্জাতিক বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকে না—তা ধীরে ধীরে পৌঁছে যায় সাধারণ

যানবাহনে জ্বালানি সাশ্রয় হবে যেসব নিয়ম মানলে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। বাড়ছে তেলের দাম, কমছে সরবরাহ—ফলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে যানবাহন ব্যবহারকারীরা পড়েছেন চাপে। এমন পরিস্থিতিতে সামান্য সচেতনতা আর কিছু কৌশল মেনে চললে যানবাহনে জ্বালানি খরচ

কখন বুঝবেন আপনার মানসিক সহায়তা দরকার? 

মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তার প্রয়োজন বুঝতে পারাটা নিজের সুস্থতার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। কিছু সাধারণ লক্ষণ বা আচরণের পরিবর্তন দেখে বোঝা যায় যে— কখন মানসিক সহায়তা বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং দেরি না করে, সহায়তা নেওয়ার অভ‍্যাস করা উচিত। 

মোবাইল ছাড়া এক ঘণ্টা থাকতে পারবেন কি?

আজকের দিনে মোবাইল ফোন আমাদের হাতের সঙ্গে হাত মেলিয়ে হাঁটছে। ঘুম থেকে উঠে চোখ মুছে খবর চেক করা, নাস্তার সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ার স্ক্রল, অফিস কাজের মধ্যে বারবার মেসেজ চেক—সব কিছুই মোবাইলের সঙ্গে। কিন্তু আপনি কি কখনও ভেবেছেন, ঘুমানোর সময় বাদে

লম্বা ছুটির পর কাজে ফেরা, ‘অফিস ব্লুজ’ কাটাবেন যেভাবে

ঈদের টানা ছুটি শেষ। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, ঘুরে বেড়ানো আর আরাম-আয়েশের দিনগুলো হঠাৎ করেই থেমে যাচ্ছে। কাল সকাল থেকেই আবার অফিস, কাজের চাপ, সময়মতো ওঠা—সবকিছুতে ফিরতে হবে পুরোনো ছন্দে। এই সময় অনেকের মধ্যেই দেখা দেয় ‘অফিস ব্লুজ’। অর্থাৎ কাজের

অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা: আয়নায় নিজেকে ‘মোটা’ দেখার নীরব অসুখ

“আমি মোটা হয়ে যাচ্ছি”—ঢাকার এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সুমাইয়ার (ছদ্মনাম) মুখে প্রায়ই শোনা যেত এই কথা। অথচ তার ওজন তখন স্বাভাবিকের চেয়েও অনেক কম। পরিবার যখন তাকে বেশি খেতে বলত, তখন সে অজুহাত দিত—“খেয়ে নিয়েছি”। ধীরে ধীরে দিনে একবার, তারপর সেটাও

গসিপ সবচেয়ে বেশি কোথায় হয়?

মানুষ স্বভাবতই কৌতূহলী। একাধিক মানুষ একত্র হলে প্রায়শই তারা কারও বা কোনও বিষয়ে আলোচনা করতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। সাধারণত এই আলোচনা নেতিবাচক রং ধারণ করে, তবে কখনও কখনও তা ইতিবাচকও হতে পারে। নেতিবাচক আলাপ-আলোচনার এই ধরনকে আমরা গসিপ বা বাংলায়

প্লেট ভর্তি বনাম পেট ভর্তি: ঈদের ক্লাসিক ভুল!

ঈদের দিন মানেই আনন্দ, আড্ডা আর খাওয়া।  তবে এই খাওয়া-দাওয়ার মধ্যেই যেন লুকিয়ে থাকে এক অদ্ভুত প্রতিযোগিতা—প্লেট কতটা ভর্তি করা যায়! পেটের জায়গা যতটা, প্লেটের জায়গা যেন তার দ্বিগুণ। সকালের সেমাই দিয়ে শুরু। “আরেকটু নাও” বলতে বলতে প্লেট কখন ভরে

মানুষ না ‘কনটেন্ট’: আমরা কি অনুভূতিকে পোস্ট বানিয়ে ফেলেছি?

রাতে কারও মন ভেঙে গেছে। কিছুক্ষণ পরই তার প্রোফাইলে ভেসে ওঠে একটা স্ট্যাটাস—দুই লাইনের কষ্ট, সঙ্গে একটা নিঃশব্দ ছবি। সকাল হলে সেখানে জমে যায় লাইক, কমেন্ট, ইমোজির ভিড়। সান্ত্বনার ভাষা আছে, সহমর্মিতার চিহ্ন আছে—কিন্তু কোথাও কি সত্যিই ছোঁয়া লাগে সেই

খুশির দিনেও মন খারাপ? তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য

ঈদের সকাল। চারদিকে নতুন পোশাকের ঝলক, ঘরে ঘরে রান্নার গন্ধ, কোলাকুলি আর হাসির শব্দ। অথচ এই আনন্দের ভিড়েও কোথাও যেন চুপচাপ বসে থাকে এক টুকরো মন খারাপ। এমন অনুভূতি অনেকেরই—কিন্তু বলা হয় না, দেখানো হয় না। অনেকের জন্য উৎসব মানে