
খুলনার কয়রা উপজেলার শিবসা নদীতে কোস্টগার্ডের সঙ্গে জলদস্যু ‘দুলাভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধ চলাকালে একজন নিহত হয়েছেন। তার নাম সাখাওয়াত হোসেন।
এ ঘটনায় বাহিনী প্রধান রবিউল গাজী গুরুতর আহত হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে ভর্তি রয়েছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও কোস্টগার্ড সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কয়রা ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন শিবসা নদীতে বিশেষ অভিযানে থাকা কোস্টগার্ডের বোট টাইফুন-১৭ এর মুখোমুখি হয় জলদস্যু ‘দুলাভাই বাহিনী’র দুটি কাঠের বোট। এসময় বোটে থাকা জলদস্যুরা কোস্টগার্ডকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়েন। আত্মরক্ষার্থে কোস্টগার্ড পাল্টা গুলি চালায়।
‘বন্দুকযুদ্ধ’ চলাকালে ডাকাত দলের একটি বোট ডুবে যায় এবং অন্যটিতে আগুন ধরে যায়। অগ্নিকাণ্ডের কারণে গোলাবারুদের স্প্লিন্টারের আঘাতে বাহিনীর সদস্য সাখাওয়াত সর্দার নিহত হন। তিনি কয়রার মহেশ্বরীপুর এলাকার এজাজ সরদারের ছেলে।
এসময় দুলাভাই বাহিনীর প্রধান রবিউল গাজী স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হন। পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম জানান, নিহত শওকত সরদার এলাকায় ‘শাকাত সরদার’ নামে পরিচিত। আহত রবিউল ইসলাম সুন্দরবনের বনদস্যু ‘দুলাভাই বাহিনী’র প্রধান।
কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম জানান, সারারাত দস্যু দুলাভাই বাহিনীর সঙ্গে কোস্টগার্ডের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। ওই এলাকা ঘিরে অভিযান পরিচালনা হচ্ছে। অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত জানানো হবে।
আরিফুর রহমান/এসআর/এএসএম












