রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ | সময়: সকাল ৬:৫৭

উর্দুতে স্লেজিং লিটন-শান্তর, কী হয়েছিল রিজওয়ানের সঙ্গে!

👁️ ৬ Time View
Daraz horizontal banner

 
সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনে ব্যাট-বলের লড়াইয়ের পাশাপাশি বাড়তি উত্তাপ ছড়িয়েছে মাঠের কথার লড়াইও। আর সেই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার ব্যাটার লিটন দাস ও পাকিস্তানের মোহাম্মদ রিজওয়ান।
পুরো ম্যাচজুড়েই উইকেটের পেছনে বাংলা ভাষায় সতীর্থদের সঙ্গে কথা বলে আসছিলেন লিটন। বোলারদের পরামর্শ দেওয়া থেকে শুরু করে ফিল্ড সেটিং—সবকিছুতেই সক্রিয় ছিলেন তিনি। তবে চতুর্থ দিনে রিজওয়ানকে ঘিরে পরিস্থিতি এমন জায়গায় যায়, যে ভাষাও বদলাতে হয় বাংলাদেশি এই উইকেটকিপারকে। বাংলার জায়গায় উর্দুতে স্লেজিং করা শুরু করেন লিটন, তার সঙ্গে যোগ দেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও।
সালমান আগার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে তুলছিলেন রিজওয়ান। সেই সময় প্রায় প্রতি বলের আগেই খেলা থামিয়ে কিছু না কিছু আপত্তি তুলছিলেন পাকিস্তানি ব্যাটার। কখনো সাইট স্ক্রিন, কখনো অন্য কোনো বিষয়ে অভিযোগ জানাচ্ছিলেন তিনি। এতে বিরক্ত হয়ে একপর্যায়ে লিটন উর্দুতে বলে ওঠেন, ‘বারবার খেলা থামিয়ে দিচ্ছো কেন?’ জবাবে রিজওয়ানও ছাড় দেননি। তিনি বলেন, ‘এটা কী তোমার কাজ! এটা তো আম্পায়ারের কাজ।’
পরিস্থিতি শান্ত করতে পরে হস্তক্ষেপ করতে হয় আম্পায়ার আলাউদ্দিন পালেকারকে। তবে সেখানেই শেষ হয়নি উত্তেজনা। মাঠে পুরো সময়ই বাংলাদেশের ফিল্ডারদের কথার খোঁচা চলেছে রিজওয়ানকে ঘিরে। উইকেটের পেছন থেকে লিটনকে উর্দুতে বলতে শোনা যায়, ‘কিছু রান করে ফেলেছে, এবার শুরু হবে অভিনয়। ভালোই অভিনয় করছে সে। এসব সবাই জানে এখন!’ আবার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত একই ভাষায় বলেন, ‘অতিরিক্ত অভিনয়ের জন্য ৫০ পয়সা কাটা হবে!’
রিজওয়ানও সুযোগ পেলেই খেলা থামানোর চেষ্টা করেছেন। গ্যালারি থেকেও তখন তার উদ্দেশে দুয়োধ্বনি ভেসে আসে। ম্যাচ শেষে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ শন টেইটকে।
ওই ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘জানি না ওদের মধ্যে কী কথা হয়েছে, কিন্তু আমি উপভোগ করেছি। আমি তো অস্ট্রেলিয়ান! এতেই হয়তো বুঝতে পারছেন আমি এসব (স্লেজিং) পছন্দ করি।’
তবে মাঠের আগ্রাসনেরও একটা সীমা থাকা উচিত বলে মনে করেন টেইট। তার ভাষায়, ‘আমি সীমা ছাড়াতে বলব না। কিন্তু কিছুটা আক্রমণাত্মক ভাব তো থাকতেই হবে। এটা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের টেস্ট ম্যাচ। আমার মনে হয় সমর্থকেরা, আমরা সবাইও, খেলাটাতে কিছুটা আবেগ দেখতে চাই।’
পাকিস্তান দলের ব্যাটিং কোচ আসাদ শফিক অবশ্য বিষয়টিকে খুব বড় করে দেখছেন না। দিন শেষে তিনি বলেন, ‘আমি জানি না আসলে কী হয়েছে (ওদের মধ্যে)। কিন্তু এ রকম টেস্ট ক্রিকেটে হয়ই। আমার মনে হয় না সিরিয়াস কিছু হয়েছে।’
৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের আশা এখন অনেকটাই রিজওয়ানের ব্যাটে। চতুর্থ দিন শেষে তিনি ১৩৪ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত আছেন। শেষ দিনে আগামীকাল পাকিস্তানের প্রয়োজন ১২১ রান আর বাাংলাদেশের চাই ৩ উইকেট।
এসকেডি/এমএমআর

Daraz horizontal banner
technoviable
Daraz square banner
technoviable

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সম্পর্কিত পোস্ট