
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে এক মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২২ জুন দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য এ দিন ধার্য করা হয়েছে।
রোববার ( ১৪ জুন) ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। এ মামলায় আজ সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল গণীর মৃত্যু ও আরেক আইনজীবী অসুস্থ থাকায় সময় আবেদন করে আসামিপক্ষ। তা মঞ্জুর করে ২২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল।
আরও পড়ুন
বেনজীর আহমেদকে কি ফেরানো সম্ভব, কী বলছে দুই দেশের চুক্তি
এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার শাইখ মাহদী, তাসমিরুল ইসলাম উদয়সহ অন্যান্য প্রসিকিউটররা। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে নির্ধারিত দিনে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে গত ১৯ এপ্রিল সাক্ষীর জবানবন্দি পেশ করা হয়। এরপর ২০ এপ্রিল প্রথম দিনের জেরা অনুষ্ঠিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন আদালত।
আরও পড়ুন
নেতাদের গায়ে মারতে পচা ডিমের চাহিদা তুঙ্গে, দাম ভালো ডিমের দ্বিগুণ!
এদিন সকালে মামলায় গ্রেফতার ১০ আসামিকে ঢাকা সেনানিবাসের সাব-জেল থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন— র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
শেখ হাসিনা ছাড়া পলাতক অন্যরা হলেন— শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ (সম্প্রতি দুবাই গ্রেফতার হয়েছেন), র্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশীদ হোসেন, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও র্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খাইরুল ইসলাম।
এফএইচ/কেএসআর












