শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ | সময়: সকাল ৭:৫৪
Category: কলাম

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজন কঠোর বাজার তদারকি 

রাস্তার পাশে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের সারি, বাস চালকের ক্লান্ত মুখ, পণ্যবাহী ট্রাকের চালকের দীর্ঘশ্বাস— এই চিত্র এখন সারা বাংলাদেশের। জ্বালানি তেলের সংকট কেবল পেট্রোল পাম্পের সামনে লাইন নয়, এটি একটি গভীর জাতীয় সমস্যা, যা প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে

উৎসবের আতঙ্ক

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঝালকাঠি লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে সুন্দরবন-১২ লঞ্চ; যার যাত্রী ছিল আমার দুই ভাগ্নি। লঞ্চ ছাড়ার কিছু আগে তাদের একজন ফেসবুকে লিখলো: ‘প্রচুর মানুষ, মানুষের ভিড়ে লঞ্চ ঢুলছে, তাও মানুষ উঠছে। চার হাজারের বেশি। জানি

সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ কাঠামো কেমন হওয়া উচিত?

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্থান, সামাজিক অগ্রগতি এবং বৈশ্বিক পরিসরে ক্রমবর্ধমান উপস্থিতির পেছনে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তবে আগামী ৫০ বছর অতীতের তুলনায় ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ ও রূপান্তরের মুখোমুখি করবে। যেমন- দ্রুত নগরায়ন, জলবায়ু অস্থিরতা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, জনসংখ্যাগত রূপান্তর এবং

বিজয়ের রক্ষাকবচ-৬

বিজয় অর্জন সহজ, বিজয় রক্ষা কঠিন। ক্ষমতা তখনই স্থায়ী হয়, যখন তা নৈতিকতা, দক্ষতা ও জবাবদিহির কাঠামোর ওপর দাঁড়ায়। এই ধারাবাহিক সেই রক্ষাকবচ নির্মাণের প্রচেষ্টা— রাষ্ট্র, দল ও নাগরিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে স্থায়ী আস্থা গড়ার রূপরেখা। সেই লক্ষ্যে ষষ্ঠ পর্বে আলোচনা

স্বাধীনতার ৫৫ বছর: অর্জনের আলো, প্রশ্নের ছায়া 

স্বাধীনতা দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা এবং তার পরবর্তী ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি অর্জন করেছিল কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। এই দিনটি শুধু একটি জাতীয় দিবস নয়, এটি বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদা এবং

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা: রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জাতিরাষ্ট্রের উদ্ভব

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে একাত্তরের ২৬ মার্চ এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিন, যার উৎপত্তি নিহিত রয়েছে পূর্ববাংলার দীর্ঘ রাজনৈতিক বঞ্চনা, সাংস্কৃতিক দমননীতি এবং রাষ্ট্রীয় বৈষম্যের ধারাবাহিক অভিজ্ঞতায়। ব্রিটিশ ভারতের বিভাজন-পরবর্তী পাকিস্তানি রাষ্ট্র ব্যবস্থায় পূর্ববাংলা দ্রুতই রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের অভাব, ভাষাগত বৈষম্য এবং অর্থনৈতিক

ইতিহাসকে রক্তে লিখেছে যে রাত 

২৫ মার্চ, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই তারিখটি কেবল একটি দিন নয়— এটি এক জাতির অস্তিত্বের আর্তনাদ, এক গভীর অন্ধকার থেকে উঠে আসা আলোর প্রতিশ্রুতি। এই রাতকে ভুলে যাওয়া মানে নিজের শিকড়কে অস্বীকার করা, নিজের জন্মকথাকে অস্বীকার করা। তাই ২৫ মার্চের গণহত্যা আমাদের

কালরাত্রির নৃশংসতা স্মরণ এবং ইতিহাসের শিক্ষা

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে বাঙালি নিধনের পরিকল্পনা নিয়ে পাকিস্তান বাহিনী পূর্ববাংলাজুড়ে যে হত্যালীলা ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করে, তা ছিল ইতিহাসে রাষ্ট্রীয় বর্বরতার চরম উদাহরণের একটি। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধকালে ইহুদি নিধনে যে বর্বরতা ঘটিয়েছিল, হিটলারের ফ্যাসিস্ট জার্মান রাষ্ট্র তা বিশ্ববাসীকে স্তম্ভিত

ভয়াল কালরাত: রক্তাক্ত ইতিহাসের সূচনা

২৫ মার্চ ১৯৭১। রাতেই পৃথিবীর ইতিহাসের ভয়াবহতম গণহত্যার শিকার হয় স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশের মানুষ। ট্যাংক ও সাঁজোয়া বহর নিয়ে পথে নামে সশস্ত্র পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে কুখ্যাত অভিযানে কালরাতের প্রথম প্রহরে তারা শুরু করে গণহত্যা। রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পিলখানার ইপিআর

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাই 

গেজেটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ এর জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে আট শতাধিক মানুষ নিহত হয় আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে। জাতিসংঘের তথ্যমতে, ওই বছরের ৮ আগস্টের পরের মৃত্যুসহ এই সংখ্যা প্রায় ১৪শ’। সঙ্গত কারণেই মানুষ ক্ষুব্ধ এই হত্যাকাণ্ডে। আগামী দিনে এই হত্যাকাণ্ডের ওপর