শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ | সময়: সকাল ৭:৫৪
Category: কলাম

হামের টিকা সংকট ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা

বাংলাদেশে ২০২৫-২৬ সালে হামের যে ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে, তা কোনও প্রাকৃতিক সংকট নয়—এটি সদ্য সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিগত ভুল, প্রশাসনিক অদক্ষতা এবং অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের ধারাবাহিক পরিণতি। একটি দেশে যেখানে বছরের পর বছর ৯৫ শতাংশের ওপরে টিকাদান কাভারেজ ধরে রাখা হয়েছিল,

অধ্যাদেশের ‘বন্যা’: নির্বাহী সক্রিয়তার অতিরঞ্জন? 

সংবিধানে অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা একটি ব্যতিক্রমী সাংবিধানিক ব্যবস্থা। কিন্তু সেই ব্যতিক্রম যখন সংখ্যায় শতাধিক হয়ে ওঠে, তখন তা অনিবার্যভাবেই একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে, জরুরি প্রয়োজনে প্রণীত এই সাংবিধানিক বিধান কি ধীরে ধীরে নিয়মিত আইন প্রণয়নের বিকল্পে পরিণত হচ্ছে? বিগত

বিজয়ের রক্ষাকবচ- ৭

বিজয় অর্জন সহজ, বিজয় রক্ষা কঠিন। ক্ষমতা তখনই স্থায়ী হয়, যখন তা নৈতিকতা, দক্ষতা ও জবাবদিহির কাঠামোর ওপর দাঁড়ায়। এই ধারাবাহিক সেই রক্ষাকবচ নির্মাণের প্রচেষ্টা— রাষ্ট্র, দল ও নাগরিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে স্থায়ী আস্থা গড়ার রূপরেখা। সেই লক্ষ্যে সপ্তম পর্বে আলোচনা করা

টেকসই উন্নয়নে স্থানীয় সরকারই পারে পথ দেখাতে

২০১৫ সালে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি গ্রহণ করেছিল, যার মূল দর্শন হলো “কাউকে পেছনে ফেলে রাখা নয়।” এই অঙ্গীকার পূরণের পথে বাংলাদেশ কিছু ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করলেও ২০৩০ সালের চূড়ান্ত লক্ষ্য পূরণ এখনও বহু

‘খারাপের চেয়েও খারাপ’: বিশ্বমঞ্চে আমাদের ‘দশ রত্ন’ 

ঢেঁকি নাকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। আর বাঙালি? সে আমেরিকায় গেলেও ‘বাঙালিগিরি’ ছাড়ে না। তবে এই ‘বাঙালিগিরি’ হিমালয়জয়ী সাফল্যের নয়, বরং হোমল্যান্ড সিকিউরিটির লাল তালিকায় নাম তোলার। আমরা সাধারণত বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশিদের সাফল্যের গল্প শুনতে ভালোবাসি। কেউ নাসা-তে রকেট বানাচ্ছে, কেউ গুগল-এ কোড লিখছে,

কৃষিবান্ধব উদ্যোগে এখনও যেসব উদ্বেগ

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে যে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। বিশেষ করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ এবং ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের জন্য স্মার্ট কার্ড চালুর উদ্যোগ সরকারের এক

শক্তির ভারসাম্যই কি এখন একমাত্র পথ?

শান্তি একটি আপেক্ষিক বিষয়। শান্তিকে প্রধানত আমরা দুই ভাগে ভাগ করতে পারি— প্রথমটি পজিটিভ পিস (ইতিবাচক শান্তি) এবং দ্বিতীয়টি নেগেটিভ পিস (নেতিবাচক শান্তি)। সাধারণ অর্থে, যুদ্ধের সমাপ্তি কিংবা অনুপস্থিতিকে ‘নেতিবাচক শান্তি’ বলা হয়। অপরদিকে, যুদ্ধ-পরবর্তী রাষ্ট্র গঠনের জন্য যে সংস্কারমূলক

হরমুজ থেকে ঢাকা: জ্বালানি সংকটে সরকার-বিরোধী দলের দায়িত্ব

এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, সেটাকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। তবে এটাকে কেবল সরকারবিরোধী ক্ষোভের তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়েও লাভ নেই। কারণ এই সংকটের বড় অংশের উৎস দেশের ভেতরে না, দেশের বাইরে। ২০২৬ সালের

বাংলাদেশের অর্থনীতি কি ইরান যুদ্ধের ধাক্কা সামলাতে পারবে?

ইরান যুদ্ধ এখন আর বাংলাদেশের জন্য কেবল দূরবর্তী কোনও ভূ-রাজনৈতিক গল্প নয়। এর প্রভাব ইতোমধ্যেই জ্বালানি খরচ, বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর চাপ, পণ্য পরিবহনে বিঘ্ন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।   তেলের দাম কত বাড়বে, সেটিই এখন বড়

ঢাকা শহরের জীবন ও অর্থনীতি

ঈদুল ফিতর শেষ হয়েছে। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন— এ ঈদকে ঘিরে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার বেশি ব্যবসা হয়ে থাকবে। অর্থনীতির একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে ঢাকা শহর। ২ কোটির বেশি লোকসংখ্যার এ শহরে নীরবতা ভেঙে আবারও মানুষ ফিরতে শুরু করবে স্বাভাবিক জীবনে।