
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে ঢাকাস্থ জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) একটি প্রতিনিধি দল। ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জাইকার কারিগরি শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টা সায়েরি মুটো।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে উপাচার্যের নিজ কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সাক্ষাৎকালে ঢাবির উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম, ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেলিম রেজা, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. উপমা কবির, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দা রোযানা রশীদ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে ঢাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাইকার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তি, ফিনটেক, পরিবেশ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও গবেষণাই আগামী দিনের উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি। তাই সময়ের চাহিদা বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়কে আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও গবেষণাকেন্দ্রিক কার্যক্রমে আরও সক্রিয় হতে হবে।
উপাচার্য আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যৌথ গবেষণা কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে এরই মধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।
অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল দায়িত্ব শুধু পাঠদান নয়, গবেষণার মাধ্যমে দেশ, সমাজ ও শিল্পখাতের উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখা। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, উদ্ভাবন ও মানসম্মত গবেষণার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আগামী দিনে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপাচার্য।
এফএআর/এমএমকে






