রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলাটিতে আইন মন্ত্রণালয় আসামিপক্ষের জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেয়। ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহকে মামলার আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের পক্ষে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) চার্জগঠন শুনানি শেষে অ্যাডভোকেট কালিমুল্যাহ গণমাধ্যমকে জানান, মামলার বিষয়ে তিনি আসামি সোহেল রানার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সোহেল নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। আদালতে তারা দুই আসামির অব্যাহতি (ডিসচার্জ) চেয়ে আবেদনও করেছিলেন।
অব্যাহতির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি ধর্ষণ ও হত্যার মামলা হলেও ভিকটিমের ভ্যাজাইনাল সোয়াব পরীক্ষায় কোনো বীর্যের উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি। এছাড়া মামলায় কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বা চাক্ষুষ সাক্ষী নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সোহেল আদালতে ‘ডলার’ নামে অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততার কথা বললেও এ বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহ বলেন, সোহেল ব্যক্তিগতভাবে তার কাছে এমন কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি। তদন্ত কর্মকর্তার দাখিল করা অভিযোগপত্র কতটা সঠিক এবং সেখানে বর্ণিত অভিযোগগুলো কতটা প্রমাণিত হবে, তা বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের পরই স্পষ্ট হবে।
সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার ব্যক্তিগত ধারণা হলো স্বামীকে রক্ষা করতে গিয়ে হয়তো তিনি মামলায় জড়িয়ে পড়েছেন। তবে বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই আদালত নির্ধারণ করবেন।
ঘটনার পর সোহেল রানা কেন জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গিয়েছিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটিও একটি বিচারাধীন বিষয় এবং আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমেই এর মূল্যায়ন হবে।
জামিন প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহ জানান, চার্জগঠন শুনানির দিন আসামিদের পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি। তবে মামলার পরবর্তী পর্যায়ে তারা জামিনের আবেদন করবেন।
এমডিএএ/এমকেআর
Editor: TECHNO NEWS
Email :info@technoviable.com
Mobile : +8801914219906
৬২২, ফ্ল্যাট নং ১৩/বি, এভারগ্রীন মিজান স্কয়ার, বেগম রোকেয়া সরণি, ঢাকা-১২১৬, বাংলাদেশ।
Copyright TechnoNews 2025 | Developed By Technoviable