প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সুইজারল্যান্ডের দাভোসে তার তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় এবং ওয়াশিংটনও আলোচনায় প্রস্তুত।
ট্রাম্প বলেন, ইরান আলোচনা করতে চায়, আর আমরাও আলোচনা করবো।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ থেকে বিরত রাখা।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট—ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সে লক্ষ্যেই ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা কার তা নিয়ে রাশিয়ার কোনো উদ্বেগ নেই। তিনি বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের নিজেদের মধ্যেই সমাধান হওয়া উচিত। একই সঙ্গে তিনি দ্বীপটিতে ডেনমার্কের ঐতিহাসিক আচরণের সমালোচনা করেন।
গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগ ইউরোপের সঙ্গে ওয়াশিংটনের বিভাজন আরও গভীর করছে—যা রাশিয়ার জন্য এক ধরনের স্বস্তির বিষয় হয়ে উঠেছে। যদিও গ্রিনল্যান্ড ইস্যুর প্রভাব রাশিয়ার ওপরও পড়তে পারে, কারণ দেশটির আর্কটিক অঞ্চলে শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে।
বুধবার দাভোসে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য শুল্ক আরোপের হুমকি থেকে সরে আসেন এবং বলপ্রয়োগের সম্ভাবনাও নাকচ করেন। তিনি জানান, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ডেনিশ এই ভূখণ্ড নিয়ে চলমান বিরোধ মেটাতে একটি সমঝোতার দিকে অগ্রগতি হচ্ছে—যে বিরোধ ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি করতে পারতো।
এই ইস্যুতে প্রথমবার প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়ে পুতিন ইঙ্গিত দেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে রাশিয়ার কোনো আপত্তি নেই। তিনি ধারণা দেন, গ্রিনল্যান্ডের মূল্য প্রায় ১০০ কোটি ডলার হতে পারে।
সূত্র: এএফপি
এমএসএম
Editor: TECHNO NEWS
Email :info@technoviable.com
Mobile : +8801914219906
৬২২, ফ্ল্যাট নং ১৩/বি, এভারগ্রীন মিজান স্কয়ার, বেগম রোকেয়া সরণি, ঢাকা-১২১৬, বাংলাদেশ।
Copyright TechnoNews 2025 | Developed By Technoviable